কভার
লেটার
হলো
বায়ার
এর
কাছে
উক্ত
কাজ
চেয়ে
একটি
পত্র
যাকে
বিড
বলা
হয়.
কভার
লেটার
ই
কাজ
পাবার
মূল
বিষয়
বস্তু
হিসাবে
ধরে
নিতে
পারি.
আসুন দেখে নেই একটি ভালই কভার লেটার কিভাবে তৈরী করা যায়-
১. প্রথম বাক্য/সেন্টেন্স: একটি বাক্য আপনার সম্পর্কে লিখুন.
২. দৃতীয় বাক্য/সেন্টেন্স: জব পোস্ট টা পরে কি বুঝলেন এবং তা কিভাবে করে দিবেন সেটি লিখুন একটু সর্ট করে.
৩.তৃতীয় বাক্য/সেন্টেন্স: কাজ কত সময় এর মধ্যে শেষ করবেন এবং কখন শুরু করবেন সেটি উল্লেখ করুন.
৪. চতুর্থ বাক্য/সেন্টেন্স: আপনার কাজের কোয়ালিটি উল্লেখ করুন.
৫. পঞ্চম বাক্য/সেন্টেন্স: আপনার পূর্বের কাজের কিছু লিঙ্ক আড্ করে দিন. এবং আপনার যদি পোর্টফোলিও সাইট থাকে সেটির এড্রেস ও আড্ করে দিন.
৬. ষষ্ঠ বাক্য/সেন্টেন্স: Attachment>Choose file এ ক্লিক করে আপনার পূর্বের একটা কাজ আড্ করে দিন.
৭. সপ্তম বাক্য/সেন্টেন্স: সুন্দর একটি বাক্য দিয়ে শেষ করুন.
নির্দেশনা:
১. কভার লেটার এ কোনো বানান ভুল করবেন না, গ্রামার মিস্ করবেন না,সঠিক ও সুন্দর বাক্য ব্যবহার করুন, কভার লেটার বেশি বড় করবেন না.
২. ফিস্কিড কাজের ক্ষেত্রে ১০%-৫০% আপফ্রন্ট নিয়ে বিড করবেন তাহলে পেমেন্ট এর কোনো সমস্যা হবে না. কেননা কিছু পে পেলে তখন খারাপ ফিডব্যাক দিতে পারবেন সেই ভয়ে বায়ার যত খারাপ হোক না কেন সে পেমেন্ট এর প্রবলেম করবে না, আর ভালো বায়ার দের কাজে এ ধরনের কোনো সমস্যা মূলত হয় না.
নিয়মিত প্রতিদিন বিড করুন ,আপনিও পারবেন একধাপ এগিয়ে যেতে.
আসুন দেখে নেই একটি ভালই কভার লেটার কিভাবে তৈরী করা যায়-
১. প্রথম বাক্য/সেন্টেন্স: একটি বাক্য আপনার সম্পর্কে লিখুন.
২. দৃতীয় বাক্য/সেন্টেন্স: জব পোস্ট টা পরে কি বুঝলেন এবং তা কিভাবে করে দিবেন সেটি লিখুন একটু সর্ট করে.
৩.তৃতীয় বাক্য/সেন্টেন্স: কাজ কত সময় এর মধ্যে শেষ করবেন এবং কখন শুরু করবেন সেটি উল্লেখ করুন.
৪. চতুর্থ বাক্য/সেন্টেন্স: আপনার কাজের কোয়ালিটি উল্লেখ করুন.
৫. পঞ্চম বাক্য/সেন্টেন্স: আপনার পূর্বের কাজের কিছু লিঙ্ক আড্ করে দিন. এবং আপনার যদি পোর্টফোলিও সাইট থাকে সেটির এড্রেস ও আড্ করে দিন.
৬. ষষ্ঠ বাক্য/সেন্টেন্স: Attachment>Choose file এ ক্লিক করে আপনার পূর্বের একটা কাজ আড্ করে দিন.
৭. সপ্তম বাক্য/সেন্টেন্স: সুন্দর একটি বাক্য দিয়ে শেষ করুন.
নির্দেশনা:
১. কভার লেটার এ কোনো বানান ভুল করবেন না, গ্রামার মিস্ করবেন না,সঠিক ও সুন্দর বাক্য ব্যবহার করুন, কভার লেটার বেশি বড় করবেন না.
২. ফিস্কিড কাজের ক্ষেত্রে ১০%-৫০% আপফ্রন্ট নিয়ে বিড করবেন তাহলে পেমেন্ট এর কোনো সমস্যা হবে না. কেননা কিছু পে পেলে তখন খারাপ ফিডব্যাক দিতে পারবেন সেই ভয়ে বায়ার যত খারাপ হোক না কেন সে পেমেন্ট এর প্রবলেম করবে না, আর ভালো বায়ার দের কাজে এ ধরনের কোনো সমস্যা মূলত হয় না.
নিয়মিত প্রতিদিন বিড করুন ,আপনিও পারবেন একধাপ এগিয়ে যেতে.
No comments:
Post a Comment